হোম

কেন কোরিয়া?

বেশিরভাগ শিক্ষার্থী প্রথমে কোনো কিছুর প্রেমে পড়েন — একটি গান, একটি রাস্তা, একটি খাবার। পড়াশোনার পরিকল্পনা করার সময় সেই ভালো লাগা আপনাকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, তা এখানে দেখুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস জীবন

ক্লাব, উৎসব, ডরমিটরি আর ভিসার কাজে সাহায্য করে এমন আন্তর্জাতিক অফিস। টিউশন ফি, বৃত্তি আর আপনার দেশের কতজন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে সেখানে পড়ছেন — এসবের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় তুলনা করুন।

সিউলের রাস্তার সংস্কৃতি

হংদের পথশিল্পী আর লাইভ মিউজিক বার, মিয়ংদংয়ের দোকানপাট, পুরোনো কারখানা থেকে ক্যাফে হয়ে ওঠা সংসু — সবই কয়েক ডজন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাবওয়েতে অল্প পথ।

ক্যাফে আর প্রতিদিনের জীবন

ক্যাফেতেই শিক্ষার্থীরা পড়েন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করেন, আর প্রায়ই পার্ট-টাইম কাজও করেন। D-2 ভিসায় পার্ট-টাইম কাজ শুধু অনুমতি নিয়ে এবং সীমিত ঘণ্টার মধ্যেই করা যায় — আগে নিয়মগুলো দেখে নিন।

K-pop আর K-ড্রামা

অনেক শিক্ষার্থীর কাছে গান আর ড্রামাই কোরিয়ার প্রথম স্বাদ। কেউ কেউ পরে এখানে সংগীত, মিডিয়া বা পারফর্মিং আর্টস পড়েন; অনেকে শুরু করেন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ইনস্টিটিউটে কোরিয়ান ভাষা শিখে।

কোরিয়ান খাবার

রাস্তার দোকানের তেওকবোক্কি, প্রতিটি মোড়ে কনভিনিয়েন্স স্টোর, শিক্ষার্থীদের বাজেটের কথা ভেবে বানানো ক্যাম্পাস ক্যাফেটেরিয়া। খাবার যদি আপনার প্যাশন হয়, কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটাও পড়ানো হয়।

ঐতিহ্য আর আধুনিকতা পাশাপাশি

প্রাসাদ আর হানোক গ্রাম দাঁড়িয়ে আছে কাচের টাওয়ারের ঠিক পাশে। অবসরের এক বিকেলে ৬০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ থেকে হেঁটেই চলে যেতে পারেন একদম নতুন শপিং স্ট্রিটে।